সাব্বির-নাসিরের পৌষ মাস, জাকের-শামীমের সর্বনাশ! হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত নিলো বিসিবি

 


আপনারা আমাকে বলতে পারেন, কেউ খারাপ খেললেই আপনি উঠে বসে লাগেন, সে ভালো না, ও ভালো ছিল এই সেই। প্রকৃত অর্থে কি জানেন? বাংলাদেশের পাইপ লাইনে পেসার পজিশন বাদে বাকি পজিশন গুলোতে আহামরি কোনো অপশন হাতে নেই। তাই আমাদের ঘুরে ফিরে তুলনামূলক ইনফর্ম প্লেয়ারটাকে পুনরায় খুঁজে নিতে হয়।


দেখুন বর্তমানে লোয়ার মিডল অর্ডার কিংবা আপার মিডল অর্ডারে যারা ব্যাট করছে তারা কিন্তু কেউই রান প্রোভাইড করতে পারছেনা। কেউ একদিন ভালো করলে বাকি দশদিন তাকে আর খুজেঁ পাওয়া যায়না। গতকালের ম্যাচেই দেখুন, আফগানিস্তানের বিপক্ষে কিভাবে আমাদের মিডল অর্ডার ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। এই ব্যাপারটা কিন্তু নতুন নয়। তাই এদের বাদ রেখে অলটারনেটিভ ভাবনা এমনিতেই আসবে।


পঞ্চপাণ্ডবের সময়গুলোতে লো অর্ডারে নাসির হোসাইন, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতরা তুলনামূলক এদের থেকে ভালো নটিচেবল ইপোর্ট দিতো। নাসির হোসাইনের মতো কেউই হতে পারেনি। আমরা দেখেছি উইকেট পতনের দিনে ৭/৮ নম্বরে ব্যাট করে সেঞ্চুরিও উপহার দিয়েছেন। ব্যাট করার পাশাপাশি, বল হাতেও ভালো পারফরম্যান্স দিতেন। আমার মনে হয় এখনকার মেহেদী মিরাজ কিংবা শেখ মেহেদী থেকে ভালো অলরাউন্ডার ছিলেন নাসির হোসাইন। নাসির হোসাইন যে ম্যাচগুলোতে সাকিব মুশফিকের সাথে জুটি করে আন্ডার প্রেসারে ব্যাট করে জয় এনে দিয়েছেন, এখনকার ব্যাটারদের এই পজিশনে যাস্ট পা কাপেঁ।


আমাদের হাতে যেহেতু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এই কয়েকটি অপশন, সো তাদের ফিরিয়ে এনে আরেকটিবার সুযোগ দিয়ে দেখা যেতে পারে। তাছাড়া সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক সৈকত বিভিন্ন লীগে ধারাবাহিক ফর্মে রয়েছেন। আজকে নাসির হোসাইন এনসিএলে ম্যাচ জয়ী পারফরম্যান্স করে ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন।

No comments

Powered by Blogger.